1. jashoreshop@gmail.com : Rose News : Rose News
  2. admin@rosenewsbd.com : rosenews :
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন

দুদক ও নামছে তদন্তে , তিন দিনের রিমান্ডে জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
  • ২৯৭ Time View

সুমন আমি জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা বলছি । তুমি খুবই কিউট । আমি আমার প্রতিনিধি পাঠাচ্ছি । করোনা নমুনা সংগ্রহ করতে হবে সব ধরনের সহযোগিতা কর । সরকারের কাছ থেকে বিনা মূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথ কেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে টাকা নেওয়া এবং নমুনা পরীহ্মা ছাড়াই ভূয়া সনদ জালিয়াতি করার অভিযোগে গ্রেফতার জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা চৌধুরীর মোবাইল ফোন চেক করে এ ধরনের অনেক মেসেজ পেয়েছে পুলিশ । প্রতিটা মেসেজের শুরুতে ডা. সাবরিনা নিজেকে জেকেজির চেয়ারম্যান বলে দাবি করেন বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাও বিভাগের উপকমিশনার হারূন অর রশিদ ।গতকাল তিনি বলেন , তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার পরেও এর মধ্যে তিনি কিভাবে প্রতারণার ফাদ পেতে করোনা নমুনা পরীহ্মা ছাড়াই ভূয়া সনদ দিতেন সে বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে ,গতকাল সোমবার সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে চারদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন পুলিশ । শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মন্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান ।

করোনা ভাইরাস সনাক্ত মামলায় জালিয়াতির অভিযোগে এক মামলায় গ্রেফতার হয়ে সাবরিনার স্বামী আরিফুল বর্তমানে কারাগারে । এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন ,জেকেজির ব্যাপারে বিশদ তথ্য তদন্ত করতে গিয়েই উঠে আসে ডা. সাবরিনা ও তার প্রতারক স্বামী আরীফ চৌধুরীর নাম । ডা. সাবরীনাকে গত রবিবার হৃদরোগ হাসপাতাল থেকে ডেকে নিয়ে তাকে জেরা করার পর তেজগাও থানার এক মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয় । তিনি জানান ,জেকেজির কোন ট্রেড লাইসেন্স নাই ।তারপরও কিভাবে প্রতিষ্ঠানটি করোনা সনাক্তের অনুমতি পেল তার তদন্ত চলছে । সাবরিনার মোবাইল চেক করে সাতটি মেসেজ পাওয়া গেছে । তাতে সাবরিনা বিভিন্ন মানুষকে ফোন করে কখনো সমন্বয়ক, কখনো চেয়ারম্যান ,কখনো আহ্বায়ক নামে পরিচয় দিয়ে প্রতারনা করেছেন । সাবরিনাকে সহযোগতিাকারী অনেক প্রভাবশালীর নাম জানা গেছে ।

তেজগাও থানা থেকে জানা গেছে ,জেকেজির বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা হয়েছে । এর মধ্যে তিনটি মামলা প্রতারনার এবং আরেকটি মামলা থানায় হামলা ও পুলিশেষ কাজে বাধা দেওয়ার জন্য । প্রথম মামলাটি দায়ের করেন কামাল হোসেন নামের এক ভুক্তভোগী । তার অভিযোগ ,তার বাড়ির মালিক ও মালকীনের জ্বর ,সর্দি হওয়ায় করোনা পরীহ্মার জন্য অনলাইনে যোগাযোগ করা হয় । তারা দুজন ছাড়াও তাদের ছেলে , গৃহপরিচারিকা ও গাড়ীচালকের নমুনা তিন দফায় বিজয় সরণি মোড়ে হুমায়ুনের লোক এসে নিয়ে যায় । এ জন্য ৪৫ হাজার টাকা দেওয়া হয় ।

দীর্ঘদিন ধরে সাবরিনা এক রোগীর নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে প্রতারণার কাজে ব্যবহার করে আসছিলেন । রিমান্ডে জানতে চাইলে তিনি বলেন সিমটা কার নামে নিবন্ধিত তা তিনি জানতেন না । তবে পুলিশ বলছে অন্যের নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করা একটা বড় ধরনের অপরাধ । জালিয়াতির মামলায় আরিফের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান গত দুই মাস হল আমাদের ডিভোর্স হয়েছে ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 Rosenewsbd